নতুন বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -আতাউর রহমান সরকার
নতুন বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে -আতাউর রহমান সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. আতাউর রহমান সরকার বলেছেন, জামায়াত তরুণ প্রজন্মকে ইনসাফপূর্ণ এক নতুন বাংলাদেশ উপহার দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আগামী নির্বাচনে সারাদেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয় করতে হবে। তিনি দ্বীন বিজয়ের লক্ষ্যে সকলকে ময়দানে আপোষহীন থাকার আহবান জানান।
তিনি আজ বিকাল ৩টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা আড়াউবাড়ী কামিল মাদ্রাসা মাঠে এক নির্বাচনী গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি গোলাম সারওয়ারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা অঞ্চলের টিম সদস্য, সাবেক জেলা আমীর অধ্যক্ষ কাজী নজরুল ইসলাম খাদেম,বি-বাড়ীয়া জেলা আমীর মাওলানা মোবারক হোসেন আকন্দ, সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কর্মপরিষদ সদস্য কাজী সিরাজুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর দ্বীন ইসলাম ভুইয়া, আখাউড়া উপজেলা আমীর ইকবাল হোসেন ভুইয়া, কসবা পৌর আমীর হারুন অর রশীদ, নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী প্রমূখ।উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সাদরুল আলম, উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি এস এম আজাদ মানিক, পৌরসভা সেক্রেটারি নুর মাজিদুল হক, শিবির নেতা তুহিন রেজা,জাহিদ মোল্লা প্রমুখ।
গণমিছিলটি মাদ্রাসা মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কসবা রেলস্টেশনে গিয়ে শেষ হয়।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, আমরা এমন এক ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যে সমাজে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষ পূর্ণ সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার ভোগ করবে মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ থাকবে না। আমরা এমন এক শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই যে সমাজে কোন চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ঘুষ, দুর্নীতি ও লুটপাট সহ কোন অপরাধ থাকবে না। আমরা নিজেরা যেমন দুর্নীতি করবো না, অন্যদের করতেও দেবো না। মূলত, আমরা শাসক হতে চাই না বরং জনগণের খাদেম হতে চাই। তিনি সে স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সকলকে ময়দানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
তিনি বলেন, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার। সকল নাগরিকের এসব অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু কল্যাণ রাষ্ট্রের অনুপস্থিতির কারণেই মানুষ রাষ্ট্রের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। অতীতের সরকারগুলো জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বরং দেশের স্বাস্থ্য খাতকে দুর্নীতি ও লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছিলো। ফ্যাসিবাদী আমালে স্বাস্থ্যখাতে বালিশ ও পর্দা কেলঙ্কারী সে কথায় বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই দেশের সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চিত করতে দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার কোন বিকল্প নেই।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin
কমেন্ট বক্স